
হাসনাত আবদুল্লাহকে নিয়ে মন্তব্যের পর তোপের মুখে রাশেদ খান। গণঅভ্যুত্থানের সময় পল্টনে গুলির মুখে কল দেওয়া কর্মীদের ফোন কেটে লুকিয়ে থাকার অভিযোগ তুললেন গণঅধিকার পরিষদের সাবেক নেতা জাবের মাহমুদ।
অনলাইন ডেস্ক:
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা হাসনাত আবদুল্লাহর গণঅভ্যুত্থানের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন রাশেদ খান। সেই বিতর্ক গড়িয়েছে এবার তাঁর নিজস্ব অতীত ভূমিকা ও রাজনৈতিক সততার ওপর। ৭ বছর ধরে গণঅধিকার পরিষদের রাজনীতিতে যুক্ত থাকা তরুণ নেতা জাবের মাহমুদ এবার রাশেদ খানের বিরুদ্ধে এনেছেন চরম ভীরুতা ও পালিয়ে থাকার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ।
জাবের মাহমুদের দাবি— জুলাইয়ের উত্তাল দিনে যখন রাজপথে গুলি চলছিল, তখন গ্রেপ্তার আতঙ্কে গা-ঢাকা দিয়ে ছিলেন রাশেদ খান।
“বোকা নাকি, অফলাইনে কল দাও?”
জাবের মাহমুদের তথ্য অনুযায়ী, গত ২২ জুলাই পল্টনে পুলিশের সঙ্গে রক্তক্ষয়ী সংঘাতের সময় আন্দোলনকারীরা যখন গুলিবিদ্ধ হয়ে গণঅধিকার পরিষদের কার্যালয়ে আশ্রয় নেন, তখন চরম বিপদে পড়ে রাশেদ খানকে ফোন দেন কর্মীরা।
কিন্তু রাশেদ খান তাঁদের সহায়তার পরিবর্তে বিরক্তি প্রকাশ করে বলেন, “বোকা নাকি তুমি, এভাবে অফলাইনে কল দাও?” বলেই তড়িঘড়ি ফোন কেটে দেন। এরপর হোয়াটসঅ্যাপে শত শত বার কল করা হলেও তিনি আর সাড়া দেননি।
রাজপথের ছবির খোলা চ্যালেঞ্জ
সুযোগ বুঝে মতাদর্শ বদলে বিএনপির সঙ্গে ভিড়ে যাওয়ার অভিযোগ তুলে জাবের মাহমুদ বলেন, “গ্রেপ্তারের ভয়ে জুলাইজুড়ে লুকিয়ে বেড়ানো মানুষটি এখন আন্দোলনকারীদের ভূমিকা নিয়ে কথা বলছেন। যদি সৎ সাহস থাকে, তবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাজপথে তাঁর একটি সক্রিয় ছবি প্রমাণ হিসেবে দেখান।”
গণঅধিকার পরিষদের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, সাবেক সহকর্মীদের মধ্যে বিরোধ এবং রাজনৈতিক ডিগবাজির এমন তথ্য সামনে আসার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রাশেদ খানের যোগ্যতা ও অবস্থান নিয়ে নতুন করে বইছে সমালোচনার ঝড়।
