
জ্বালানি সংকট, বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে সচিবালয় ঘেরাও করতে গিয়ে পুলিশের ব্যারিকেডে আটকে গেছে ১১ দলীয় ঐক্য। ঘটনাকে কেন্দ্র করে সচিবালয় এলাকায় বন্ধ করে দেওয়া হয় সবকটি প্রবেশদ্বার।
জ্বালানি তেল ও গ্যাস সংকট, বিদ্যুতের ‘ভূতুড়ে’ বিল, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে সচিবালয় ঘেরাও করতে গিয়ে পুলিশের বাধার মুখে পড়েছে ১১ দলীয় ঐক্য।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর মুক্তাঙ্গন থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে সচিবালয় অভিমুখে রওয়ানা হন ১১ দলীয় ঐক্যের নেতাকর্মীরা। মিছিলটি জিরো পয়েন্ট অতিক্রম করার চেষ্টা করলে পুলিশ কাঁটাতারের ব্যারিকেড দিয়ে তাদের পথ আটকে দেয়। এ সময় পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে তীব্র তর্ক-বিতর্ক ও ধাক্কাধাক্কির সৃষ্টি হয়।
কর্মসূচির নেতৃত্বে ছিলেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। উপস্থিত ছিলেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, এলডিপির প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা।
ঘেরাও কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে সচিবালয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয় এবং সবকটি প্রবেশদ্বার (গেট) বন্ধ করে দেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এতে সাধারণ দর্শনার্থী ও জরুরি কাজে আসা মানুষ মারাত্মক ভোগান্তিতে পড়েন।
বাধার মুখে জিরো পয়েন্ট এলাকাতেই অবস্থান নেন নেতারা। জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা জনগণের যৌক্তিক দাবি পৌঁছে দিতে এসেছি। সরকার জনগণের কথা না শুনলে রাজপথের এই आंदोलन থামবে না।” অবস্থান কর্মসূচি থেকেই পরবর্তীতে নতুন আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন জোট নেতারা।
